দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাপানের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার মুক্তির ৮১তম বার্ষিকীতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
রোববার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, শনিবার কোরিয়ার মুক্তির বার্ষিকী উপলক্ষে পুতিনের পাঠানো অভিনন্দন বার্তার জবাবে কিম এ কথা বলেন।
পুতিন তার বার্তায় বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল। ভবিষ্যতেও ‘সব ক্ষেত্রে’ দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জবাবে কিম জং উন বলেন, ন্যায়বিচারের জন্য অভিন্ন সংগ্রামের ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের মূল্যবান ঐতিহ্যকে এগিয়ে নেওয়া দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী।
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রতি উত্তর কোরিয়ার সামরিক সহায়তার পর সাম্প্রতিক সময়ে পিয়ংইয়ং ও মস্কোর সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার যুদ্ধকে সমর্থন করতে সেনা ও অস্ত্র পাঠিয়েছে। ১৯৫০-এর দশকের পর কোনো যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পৃক্ততা।
এদিকে মুক্তির বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার রাশিয়ার জাহাজ পাল্লাদা শুভেচ্ছা সফরে উত্তর কোরিয়ার ওনসান বন্দরে পৌঁছেছে। কেসিএনএ জানায়, উত্তর কোরিয়ার প্রাদেশিক কর্মকর্তারা এবং রুশ দূতাবাসের কর্মীরা জাহাজটিকে স্বাগত জানান।
অন্যদিকে একই দিনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। সিউলে মুক্তি দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সংঘাত ঠেকাতে দুই কোরিয়ার মধ্যে নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিবর্তে একটি ‘শান্তি ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠায় কাজ করা উচিত।
লি ১৯৫০-১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করতে আলোচনার আহ্বান জানান। যুদ্ধটি যুদ্ধবিরতিতে শেষ হলেও কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। আলোচনায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানান তিনি।
তবে পিয়ংইয়ং লির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়াকে উসকানি হিসেবে সমালোচনা করেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার জাপানের হোক্কাইডোর কাছে একটি দ্বীপ সফর করেন ভ্লাদিমির পুতিন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের পর রাশিয়া দখল করে নেওয়া ওই দ্বীপটির মালিকানা দাবি করে জাপান। পুতিনের সফরের নিন্দা জানিয়েছে টোকিও।
সূত্র: রয়টার্স
/অ